রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

পাক সেনাদের নৃশংসতাকে গণহত্যা হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়  পাকিস্তান  সেনাবাহিনীর নৃশংস কর্মকান্ডকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে একাউন্টে এক পোস্টে  জয় লিখেছেন, ‘শুধুমাত্র একটি উন্নত জীবন যাত্রা চাওয়ার কারণেই ১৯৭১ সালে পাক সেনারা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে হত্যা করেছিল। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের কাছে বাঙ্গালীরা সম অধিকারের স্বীকৃতি চেয়েছিল।  কিন্তু তার পরিবর্তে, ঘুমন্ত অবস্থায়  বাঙ্গালীদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।’
জয় বলেন, ২৫শে মার্চ, ইয়াহিয়া খানের অধীনে থাকা টিক্কা খান ‘অপারেশন সার্চলাইট’’ শুরু করার জন্য ডেথ স্কোয়াডকে একত্রিত করে এবং তারা এক রাতে সাত হাজার বাঙ্গালীকে হত্যা করে।
সেই দিন থেকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি সৈন্যরা ২ লাখের বেশি নারীকে ধর্ষণ এবং ৩০ লাখের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জয় বলেন, এই ব্যাপক গণহত্যার ফলে তিন থেকে চার কোটি বাঙ্গালী বাস্তচ্যুত হয় এবং এক কোটিরও বেশি মানুষ পার্শবর্তী ভারতে আশ্রয় নেয়।
হামদুর রহমান কমিশনের প্রতিবেদনটি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ  গণহত্যার প্রমাণের সবচেয়ে বড় ডকুমেন্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই প্রতিবেদনে পূর্ব পাকিস্তানে নিয়োজিত পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে ব্যাপক নৃশংসতা, মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর কাজ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জেড এ ভুট্টো এই প্রতিবেদনের প্রতিটি কপি পুড়িয়ে ফেলার  নির্দেশ দিয়েছিলেন।
জয় বলেন, এই জঘন্য অপরাধগুলো এখনো গণহত্যা হিসেবে সর্বজনীনভাবে স্বীকৃতি পায়নি।
একাত্তরের ঘটনাকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি না দিলে শুধু গণহত্যার শিকারদের স্মৃতির প্রতি চরম অবিচার করা হবে না, এটি ইতিহাসের প্রতি  চরম অবিচার করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com